Vedic Tithi
VedicTithi

Stotram - Sacred Scripture

Srimad Bhagawad Gita Chapter 11

Srimad Bhagawad Gita Chapter 11

Stotram
Unknown
56 Verses
110%

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা মূলম্ - একাদশোঽধ্যাযঃ

ওঁ শ্রী পরমাত্মনে নমঃ

অথ একাদশোঽধ্যাযঃ ।

বিশ্বরূপসন্দর্শনযোগঃ

অর্জুন উবাচ

মদনুগ্রহায পরমং গুহ্যমধ্যাত্মসঞ্জ্ঞিতম্ ।

যত্ত্বযোক্তং বচস্তেন মোহোঽযং বিগতো মম ॥ 1 ॥

ভবাপ্যযৌ হি ভূতানাং শ্রুতৌ বিস্তরশো মযা ।

ত্বত্তঃ কমলপত্রাক্ষ মাহাত্ম্যমপি চাব্যযম্ ॥ 2 ॥

এবমেতদ্যথাত্থ ত্বমাত্মানং পরমেশ্বর ।

দ্রষ্টুমিচ্ছামি তে রূপমৈশ্বরং পুরুষোত্তম ॥ 3 ॥

মন্যসে যদি তচ্ছক্যং মযা দ্রষ্টুমিতি প্রভো ।

যোগেশ্বর ততো মে ত্বং দর্শযাত্মানমব্যযম্ ॥ 4 ॥

শ্রীভগবানুবাচ

পশ্য মে পার্থ রূপাণি শতশোঽথ সহস্রশঃ ।

নানাবিধানি দিব্যানি নানাবর্ণাকৃতীনি চ ॥ 5 ॥

পশ্যাদিত্যান্বসূন্রুদ্রানশ্বিনৌ মরুতস্তথা ।

বহূন্যদৃষ্টপূর্বাণি পশ্যাশ্চর্যাণি ভারত ॥ 6 ॥

ইহৈকস্থং জগত্কৃত্স্নং পশ্যাদ্য সচরাচরম্ ।

মম দেহে গুডাকেশ যচ্চান্যদ্দ্রষ্টুমিচ্ছসি ॥ 7 ॥

ন তু মাং শক্যসে দ্রষ্টুমনেনৈব স্বচক্ষুষা ।

দিব্যং দদামি তে চক্ষুঃ পশ্য মে যোগমৈশ্বরম্ ॥ 8 ॥

সঞ্জয উবাচ

এবমুক্ত্বা ততো রাজন্মহাযোগেশ্বরো হরিঃ ।

দর্শযামাস পার্থায পরমং রূপমৈশ্বরম্ ॥ 9 ॥

অনেকবক্ত্রনযন-মনেকাদ্ভুতদর্শনম্ ।

অনেকদিব্যাভরণং দিব্যানেকোদ্যতাযুধম্ ॥ 10 ॥

দিব্যমাল্যাম্বরধরং দিব্যগন্ধানুলেপনম্ ।

সর্বাশ্চর্যমযং দেবমনন্তং বিশ্বতোমুখম্ ॥ 11 ॥

দিবি সূর্যসহস্রস্য ভবেদ্যুগপদুত্থিতা ।

যদি ভাঃ সদৃশী সা স্যাদ্ভাসস্তস্য মহাত্মনঃ ॥ 12 ॥

তত্রৈকস্থং জগত্কৃত্স্নং প্রবিভক্তমনেকধা ।

অপশ্যদ্দেবদেবস্য শরীরে পাণ্ডবস্তদা ॥ 13 ॥

ততঃ স বিস্মযাবিষ্টো হৃষ্টরোমা ধনঞ্জযঃ ।

প্রণম্য শিরসা দেবং কৃতাঞ্জলিরভাষত ॥ 14 ॥

অর্জুন উবাচ

পশ্যামি দেবাংস্তব দেব দেহে সর্বাংস্তথা ভূতবিশেষসঙ্ঘান্।

ব্রহ্মাণমীশং কমলাসনস্থ-মৃষীংশ্চ সর্বানুরগাংশ্চ দিব্যান্ ॥ 15 ॥

অনেকবাহূদরবক্ত্রনেত্রং পশ্যামি ত্বাং সর্বতোঽনন্তরূপম্।

নান্তং ন মধ্যং ন পুনস্তবাদিং পশ্যামি বিশ্বেশ্বর বিশ্বরূপ ॥ 16 ॥

কিরীটিনং গদিনং চক্রিণং চ তেজোরাশিং সর্বতো দীপ্তিমন্তম্।

পশ্যামি ত্বাং দুর্নিরীক্ষ্যং সমন্তাদ্দীপ্তানলার্কদ্যুতিমপ্রমেযম্ ॥ 17 ॥

ত্বমক্ষরং পরমং বেদিতব্যং ত্বমস্য বিশ্বস্য পরং নিধানম্।

ত্বমব্যযঃ শাশ্বতধর্মগোপ্তা সনাতনস্ত্বং পুরুষো মতো মে ॥ 18 ॥

অনাদিমধ্যান্তমনন্তবীর্য-মনন্তবাহুং শশিসূর্যনেত্রম্।

পশ্যামি ত্বাং দীপ্তহুতাশবক্ত্রং স্বতেজসা বিশ্বমিদং তপন্তম্ ॥ 19 ॥

দ্যাবাপৃথিব্যোরিদমন্তরং হি ব্যাপ্তং ত্বযৈকেন দিশশ্চ সর্বাঃ।

দৃষ্ট্বাদ্ভুতং রূপমুগ্রং তবেদং লোকত্রযং প্রব্যথিতং মহাত্মন্ ॥ 20 ॥

অমী হি ত্বাং সুরসঙ্ঘা বিশন্তি কেচিদ্ভীতাঃ প্রাঞ্জলযো গৃণন্তি।

স্বস্তীত্যুক্ত্বা মহর্ষিসিদ্ধসঙ্ঘাঃ স্তুবন্তি ত্বাং স্তুতিভিঃ পুষ্কলাভিঃ ॥ 21 ॥

রুদ্রাদিত্যা বসবো যে চ সাধ্যা বিশ্বেঽশ্বিনৌ মরুতশ্চোষ্মপাশ্চ।

গন্ধর্বযক্ষাসুরসিদ্ধসঙ্ঘা বীক্ষন্তে ত্বাং বিস্মিতাশ্চৈব সর্বে ॥ 22 ॥

রূপং মহত্তে বহুবক্ত্রনেত্রং মহাবাহো বহুবাহূরুপাদম্।

বহূদরং বহুদংষ্ট্রাকরালং দৃষ্ট্বা লোকাঃ প্রব্যথিতাস্তথাহম্ ॥ 23 ॥

নভঃস্পৃশং দীপ্তমনেকবর্ণং ব্যাত্তাননং দীপ্তবিশালনেত্রম্।

দৃষ্ট্বা হি ত্বাং প্রব্যথিতান্তরাত্মা ধৃতিং ন বিন্দামি শমং চ বিষ্ণো ॥ 24 ॥

দংষ্ট্রাকরালানি চ তে মুখানি দৃষ্ট্বৈব কালানলসন্নিভানি।

দিশো ন জানে ন লভে চ শর্ম প্রসীদ দেবেশ জগন্নিবাস ॥ 25 ॥

অমী চ ত্বাং ধৃতরাষ্ট্রস্য পুত্রাঃ সর্বে সহৈবাবনিপালসঙ্ঘৈঃ।

ভীষ্মো দ্রোণঃ সূতপুত্রস্তথাসৌ সহাস্মদীযৈরপি যোধমুখ্যৈঃ ॥ 26 ॥

বক্ত্রাণি তে ত্বরমাণা বিশন্তি দংষ্ট্রাকরালানি ভযানকানি।

কেচিদ্বিলগ্না দশনান্তরেষু সন্দৃশ্যন্তে চূর্ণিতৈরুত্তমাঙ্গৈঃ ॥ 27 ॥

যথা নদীনাং বহবোঽম্বুবেগাঃ সমুদ্রমেবাভিমুখা দ্রবন্তি।

তথা তবামী নরলোকবীরা বিশন্তি বক্ত্রাণ্যভিবিজ্বলন্তি ॥ 28 ॥

যথা প্রদীপ্তং জ্বলনং পতঙ্গা বিশন্তি নাশায সমৃদ্ধবেগাঃ।

তথৈব নাশায বিশন্তি লোকাস্তবাপি বক্ত্রাণি সমৃদ্ধবেগাঃ ॥ 29 ॥

লেলিহ্যসে গ্রসমানঃ সমন্তাল্লোকান্সমগ্রা-ন্বদনৈর্জ্বলদ্ভিঃ।

তেজোভিরাপূর্য জগত্সমগ্রং ভাসস্তবোগ্রাঃ প্রতপন্তি বিষ্ণো ॥ 30 ॥

আখ্যাহি মে কো ভবানুগ্ররূপো নমোঽস্তু তে দেববর প্রসীদ।

বিজ্ঞাতুমিচ্ছামি ভবন্তমাদ্যং ন হি প্রজানামি তব প্রবৃত্তিম্ ॥ 31 ॥

শ্রীভগবানুবাচ

কালোঽস্মি লোকক্ষযকৃত্প্রবৃদ্ধো লোকান্সমাহর্তুমিহ প্রবৃত্তঃ।

ঋতেঽপি ত্বাং ন ভবিষ্যন্তি সর্বে যেঽবস্থিতাঃ প্রত্যনীকেষু যোধাঃ ॥ 32 ॥

তস্মাত্ত্বমুত্তিষ্ঠ যশো লভস্ব জিত্বা শত্রূন্ভুঙ্ক্ষ্ব রাজ্যং সমৃদ্ধম্।

মযৈবৈতে নিহতাঃ পূর্বমেব নিমিত্তমাত্রং ভব সব্যসাচিন্ ॥ 33 ॥

দ্রোণং চ ভীষ্মং চ জযদ্রথং চ কর্ণং তথান্যানপি যোধবীরান্।

মযা হতাংস্ত্বং জহি মা ব্যথিষ্ঠা যুধ্যস্ব জেতাসি রণে সপত্নান্ ॥ 34 ॥

সঞ্জয উবাচ

এতচ্ছ্রুত্বা বচনং কেশবস্য কৃতাঞ্জলির্বেপমানঃ কিরীটী।

নমস্কৃত্বা ভূয এবাহ কৃষ্ণং সগদ্গদং ভীতভীতঃ প্রণম্য ॥ 35 ॥

অর্জুন উবাচ

স্থানে হৃষীকেশ তব প্রকীর্ত্যা জগত্প্রহৃষ্যত্যনুরজ্যতে চ।

রক্ষাংসি ভীতানি দিশো দ্রবন্তি সর্বে নমস্যন্তি চ সিদ্ধসঙ্ঘাঃ ॥ 36 ॥

কস্মাচ্চ তে ন নমেরন্মহাত্মন্গরীযসে ব্রহ্মণোঽপ্যাদিকর্ত্রে।

অনন্ত দেবেশ জগন্নিবাস ত্বমক্ষরং সদসত্তত্পরং যত্ ॥ 37 ॥

ত্বমাদিদেবঃ পুরুষঃ পুরাণস্ত্বমস্য বিশ্বস্য পরং নিধানম্।

বেত্তাসি বেদ্যং চ পরং চ ধাম ত্বযা ততং বিশ্বমনন্তরূপ ॥ 38 ॥

বাযুর্যমোঽগ্নির্বরুণঃ শশাঙ্কঃ প্রজাপতিস্ত্বং প্রপিতামহশ্চ।

নমো নমস্তেঽস্তু সহস্রকৃত্বঃ পুনশ্চ ভূযোঽপি নমো নমস্তে ॥ 39 ॥

নমঃ পুরস্তাদথ পৃষ্ঠতস্তে নমোঽস্তু তে সর্বত এব সর্ব।

অনন্তবীর্যামিতবিক্রমস্ত্বং সর্বং সমাপ্নোষি ততোঽসি সর্বঃ ॥ 40 ॥

সখেতি মত্বা প্রসভং যদুক্তং হে কৃষ্ণ হে যাদব হে সখেতি।

অজানতা মহিমানং তবেদং মযা প্রমাদাত্প্রণযেন বাপি ॥ 41 ॥

যচ্চাবহাসার্থমসত্কৃতোঽসি বিহারশয্যাসনভোজনেষু।

একোঽথবাপ্যচ্যুত তত্সমক্ষং তত্ক্ষামযে ত্বামহমপ্রমেযম্ ॥ 42 ॥

পিতাসি লোকস্য চরাচরস্য ত্বমস্য পূজ্যশ্চ গুরুর্গরীযান্।

ন ত্বত্সমোঽস্ত্যভ্যধিকঃ কুতোঽন্যো লোকত্রযেঽপ্যপ্রতিমপ্রভাব ॥ 43 ॥

তস্মাত্প্রণম্য প্রণিধায কাযং প্রসাদযে ত্বামহমীশমীড্যম্।

পিতেব পুত্রস্য সখেব সখ্যুঃ প্রিযঃ প্রিযাযার্হসি দেব সোঢুম্ ॥ 44 ॥

অদৃষ্টপূর্বং হৃষিতোঽস্মি দৃষ্ট্বা ভযেন চ প্রব্যথিতং মনো মে।

তদেব মে দর্শয দেবরূপং প্রসীদ দেবেশ জগন্নিবাস ॥ 45 ॥

কিরীটিনং গদিনং চক্রহস্তমিচ্ছামি ত্বাং দ্রষ্টুমহং তথৈব।

তেনৈব রূপেণ চতুর্ভুজেন সহস্রবাহো ভব বিশ্বমূর্তে ॥ 46 ॥

শ্রীভগবানুবাচ

মযা প্রসন্নেন তবার্জুনেদং রূপং পরং দর্শিতমাত্মযোগাত্।

তেজোমযং বিশ্বমনন্তমাদ্যং যন্মে ত্বদন্যেন ন দৃষ্টপূর্বম্ ॥ 47 ॥

ন বেদযজ্ঞাধ্যযনৈর্ন দানৈর্ন চ ক্রিযাভির্ন তপোভিরুগ্রৈঃ।

এবংরূপঃ শক্য অহং নৃলোকে দ্রষ্টুং ত্বদন্যেন কুরুপ্রবীর ॥ 48 ॥

মা তে ব্যথা মা চ বিমূঢভাবো দৃষ্ট্বা রূপং ঘোরমীদৃঙ্মমেদম্।

ব্যপেতভীঃ প্রীতমনাঃ পুনস্ত্বং তদেব মে রূপমিদং প্রপশ্য ॥ 49 ॥

সঞ্জয উবাচ

ইত্যর্জুনং বাসুদেবস্তথোক্ত্বা স্বকং রূপং দর্শযামাস ভূযঃ।

আশ্বাসযামাস চ ভীতমেনং ভূত্বা পুনঃ সৌম্যবপুর্মহাত্মা ॥ 50 ॥

অর্জুন উবাচ

দৃষ্ট্বেদং মানুষং রূপং তব সৌম্যং জনার্দন ।

ইদানীমস্মি সংবৃত্তঃ সচেতাঃ প্রকৃতিং গতঃ ॥ 51 ॥

শ্রীভগবানুবাচ

সুদুর্দর্শমিদং রূপং দৃষ্টবানসি যন্মম ।

দেবা অপ্যস্য রূপস্য নিত্যং দর্শনকাঙ্ক্ষিণঃ ॥ 52 ॥

নাহং বেদৈর্ন তপসা ন দানেন ন চেজ্যযা ।

শক্য এবংবিধো দ্রষ্টুং দৃষ্টবানসি মাং যথা ॥ 53 ॥

ভক্ত্যা ত্বনন্যযা শক্য অহমেবংবিধোঽর্জুন ।

জ্ঞাতুং দ্রষ্টুং চ তত্ত্বেন প্রবেষ্টুং চ পরন্তপ ॥ 54 ॥

মত্কর্মকৃন্মত্পরমো মদ্ভক্তঃ সঙ্গবর্জিতঃ ।

নির্বৈরঃ সর্বভূতেষু যঃ স মামেতি পাণ্ডব ॥ 55 ॥

ওঁ তত্সদিতি শ্রীমদ্ভগবদ্গীতাসূপনিষত্সু ব্রহ্মবিদ্যাযাং যোগশাস্ত্রে

শ্রীকৃষ্ণার্জুনসংবাদে বিশ্বরূপদর্শনযোগো নামৈকাদশোঽধ্যাযঃ ॥11 ॥

About This Stotram

Srimad Bhagawad Gita Chapter 11

Sanskrit Title: श्रीमद्भगवद्गीता मूलम् - एकादशोऽध्यायः
IAST Transliteration:

Overview

Chapter 11 of the Bhagawad Gita is of immense spiritual significance. It is the climax of Arjuna's spiritual journey within the Gita, where he requests to see the divine form of Lord Krishna. Krishna then grants him divine vision, revealing His all-pervading, cosmic form, encompassing all of creation, time, and space. This vision instills awe, fear, and devotion in Arjuna. It demonstrates the omnipotence, omnipresence, and transcendental nature of the Divine. The chapter emphasizes that while the Divine is beyond human comprehension, it can be perceived through devotion and divine grace. It serves as a powerful testament to the ultimate reality and the relationship between the individual soul and the Supreme Being.

Details

Attribute Information
Deity Lord Krishna
Author Vyasa
Type Chapter of a larger scripture
Category Gita Adhyaya
Number of Verses 56
Origin This stotram is the eleventh chapter of the Srimad Bhagawad Gita, a foundational scripture in Hinduism. The Bhagawad Gita is presented as a dialogue between Lord Krishna and the Pandava prince Arjuna on the battlefield of Kurukshetra. This specific chapter, known as the 'Vishwaroopa Sandarshana Yoga' (The Yoga of the Vision of the Cosmic Form), is a pivotal moment where Lord Krishna reveals His divine, universal form to Arjuna. The Bhagawad Gita itself is believed to have been composed by the Srimant Ved Vyas, the compiler of the Vedas and the Mahabharata, though the exact date of composition is debated among scholars, with estimates ranging from the 5th to the 2nd century BCE.

Benefits of Recitation

  1. Removal of ignorance and delusion
  2. Gaining divine vision and understanding
  3. Deepening devotion and faith
  4. Understanding the cosmic nature of the Divine
  5. Attaining spiritual liberation

Best Time to Recite

Can be recited at any time, but particularly beneficial during periods of spiritual seeking, doubt, or when seeking a deeper connection with the Divine. Reciting it during morning or evening prayers is common.

Historical Context

The Srimad Bhagawad Gita is part of the epic Mahabharata, attributed to the Srimant Ved Vyas. The dialogue takes place just before the commencement of the Kurukshetra War. Arjuna, overwhelmed by the prospect of fighting his own kin, falls into despair and seeks guidance from his charioteer, Lord Krishna. The Gita, and specifically Chapter 11, is considered a distillation of Vedic philosophy and a guide for righteous living and spiritual realization. While the exact historical period of its composition is debated, it is widely accepted as a text that has shaped Hindu thought and practice for millennia.

Alternate Names

  • Vishwaroopa Sandarshana Yoga
  • The Yoga of the Vision of the Cosmic Form

Related Stotrams

  • Srimad Bhagawad Gita Chapter 1
  • Srimad Bhagawad Gita Chapter 12
  • Srimad Bhagawad Gita Chapter 15
  • Vishnu Sahasranama

Last Updated: 2025-12-01